September 29, 2020, 7:02 pm

নোটিশ
সাইটের মান উন্নয়নের কাজ চলছে। কিছুটা সময় দিয়ে সহযোগীতা করবেন। ধন্যবাদ
শিরোনাম
ঘাটাইল পৌর মানবাধিকার কমিশনের শামছুল সভাপতি; লতিফ সম্পাদক বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু এক্য পরিষদ সংগ্রামপুর ইউনিয়ন শাখা কমিটির অনুমোদন ঘাটাইলে ২১ই আগষ্টে গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্বরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসে লক্ষিন্দর ইউনিয়নে ছাত্রলীগের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ঘাটাইলের পানিবন্দী বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য উপহার বিতরন বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে সংগ্রামপুর ইউনিয়নে দোয়া ও আলোচনা সভা ঘাটাইলে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সেলাই মেশিন প্রদান লোকেরপাড়া জনকল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন ৪নং লোকেরপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আকরাম হোসেন লোকেরপাড়া ইউনিয়নবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেহেদী হাসান

অবশেষে জানা গেলো সন্তান প্রসব করা সেই পাগলীর পরিচয়

অবশেষে জানা গেলো সন্তান প্রসব করা সেই পাগলীর পরিচয়

চলমান সময়ে ঘাটাইল উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের বোয়ালীহাটবাড়িতে অচেনা এক পাগলীর সন্ধান পাওয়া যায়। যে পাগলী বোয়ালীহাটবাড়ি স্কুল প্রাঙ্গণে সন্তান প্রসব করে ঘাটাইলবাসীর আলোচনায় আসে। সংবাদটি ঘাটাইল মিডিয়ায় ভিডিও নিউজ হলে তা মুহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। আর ভাইরাল নিউজটি এক সময় পাগলীর পরিবারের প্রতিবেশি এক মহিলার নজরে আসলে তিনি ঘাটাইল মিডিয়া পেইজে কমেন্ট করে পাগলীর আংশিক পরিচয় দেয়। সেই পরিচয়ের সুত্র ধরে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করে বিষয়টি মোটামোটি নিশ্চিত হলে ডেস্ক রিপোর্টার মোঃ আশিক ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকারকে অবগত করে এবং তারই কথা অনুযায়ী আশিক পাগলীর প্রতিবেশি মহিলার সাথে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করে এবং মহিলার দেয়া নাম্বার থেকে আশিককে পাগলীর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান যোগাযোগ করেন। সবশেষে পাগলীকে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাগলীর পরিবার প্রস্তুত হচ্ছে।

পাগলীকে নিয়ে ঘাটাইল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভাইরাল সংবাদগুলো দেখুনঃ

(১) ঘাটাইলে শিশু আব্দুল্লাহকে জন্ম দিয়ে পাগলী হলো মা; তবে বাবা হয়নি কেউ !

(২) ঘাটাইলে পাগলীর সন্তান প্রসব নিয়ে UNO অঞ্জন কুমারের সম্পূর্ণ বক্তব্য শুনুন

(৩) আর্থিক সহায়তা ও অভয়বাণী শুনিয়ে পাগলীর পাশে দাঁড়ালো উপজেলা চেয়ারম্যান লেবু

পাগলীর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান ইউএনও অঞ্জন কুমার সরকার ও পাগলীকে দেখতে যাওয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম লেবুকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।


যার ফেসবুক কমেন্টের মাধ্যমে পাগলীর পরিচয় জানা গেছে সুবর্ণা তানভির এর ফেসবুক পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলোঃ

পাগলি মা হলো, কিন্তু বাবা হলো না কেও। আমরা এখন কোন সমাজে বাস করি??
এটা কোন সভ্য সমাজ হতে পারে না। এমন হাজারো পাগলি মা হয়, কিন্তু বাবা হয় না কেও।৷৷৷৷ এমনই এক পাগলি,,,,৷
ঝিনাইদহের বিষয়খালী গ্রামের চিন্তা, হারিয়ে যাবার দেড় বছরেও সন্ধান পাইনি তার পরিবার।
এবার তার মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ বুঝি শেষ হলো।

পাগলির জীবন কাহিনীঃ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামের মৃত. রেজাউল বিশ্বাস এর ছোট কন্যা সালমা ওরফে চিন্তা দেড় বছরের বেশি সময় পার হলেও কোনো সন্ধান পায়নি তার হতভাগা মা সেলিনা বেগম ওরফে উড়োনি।এখনো রাস্তায় রাস্তায় খুজে বেড়াই মেয়ে চিন্তাকে। আর মেয়েকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মা সেলিনা বেগম। এর মধ্যে হাজারো মানুষের কাছে নিজের মেয়ে হারানোর কথা বলে কষ্টে কেঁদেছেন। এতদিন কেঁদেও কোনো লাভ হয়নি।তারপরও মায়ের মন নিরাশ হয়নি।তাই তার মায়ের আকুতি যদি মেয়েটিকে কেউ সন্ধান দিতো। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামের মৃত.রেজাউলের মেয়ে। তবে রেজাউল মারা যাবার পর সেলিনা বেগম তার পিতার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার পৌর এলাকার সলেমানপুর গ্রামে পিত্রালয় বসবাস করে আসছে। সেই থেকে মেয়ে সালমা ওরফে চিন্তা (২১) নির”দ্দেশ হয়ে গেছে। যা দেখতে দেখতে দেড় বছরেরও বেশি সময় পারা হয়ে গেছে। সেই থেকেয় চিন্তার কোনো সন্ধান হয়নি। মেয়ে হারানোর কথা বর্ণনা করলেন মা সেলিনা ,শুর”তেই অঝোড়ে কাঁদতে লাগলেন।ভারাক্রান্ত কন্ঠে বললেন স্বামী মারা গেছে ৭/৮ বছর আগে।সেই থেকে তিনি থাকেন পিত্রালয়ে ভাইেদের সংসারে। দুঃখের বিষয় গরীব ভাইেদের অভাবী সংসার হওয়ায় মেয়ে চিন্তাকে ঝিয়ের কাজের জন্যে শহরের রাজা মেম্বরের বাড়িতে দেয় ঝিয়ের কাজ করতে। তখন চিন্তার বয়স হবে ১৭/১৮ বছর।সেখানে থাকতে থাকতে একসময় মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন হতে শুরু” করে। কেন এমন হয়েছে তা তারা জানেনা। এর মধ্যে তাকে বিয়েও দেয়া হয় কিন্তু বেশি দিন টেকেনি বিয়ে।আবারো ঠাঁই হয় রাজা মেম্বরের বাড়িতে। এরপর কোনো একসময় কে বা কাহারা তার মাথার চুল ন্যাড়া করে দেই। তার পড় থেকে তার মানসিক বিকৃতি বাড়তে থাকে।

আজ থেকে দেড় বছর আগে চিন্তা তার নানা বাড়ি কোটচাঁদপুরের সলেমানপুর গিয়ে তার মায়ের কাছে গিয়ে উঠে। ঐদিন ভোর রাতে ফজরের নামাজ পড়বে বলে মাকে বলে বাইরে বের হয়। তার পর থেকে আজো চিন্তার কোনো খোঁজ হয়নি। চিন্তার দুলাভাই মাসুম জানাই, তার মানসিক ভারসাম্যহীন শালিকা চিন্তা হারিয়ে যাবার পর তারা তাদের সকল আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোজ খবর নিয়ে কোথাও তার খোজ পাওয়া যাইনি। আর আমি মনে করি রাজা মেম্বর আমার শালিকার হারিয়ে যাবার পেছনে হাত আছে।তবে আমার শালিকাকে না পেলে রাজা মেম্বরের বির”দ্ধে কোর্টে মামলা করবো। তবে আজও পর্যন্ত কোথাও তার খোজ মেলেনি। অপরদিকে তার শাশুড়ি তার শালিকাকে হরিয়ে যাবার পর দিনের পরদিন কাঁদতে কাঁদতে নাওয়া খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে রাজা মেম্বরের সাথে কথা বললে তিনি জানান, মেয়েটি বেশ কিছুদিন আমার বাড়িতে কাজ করেছে। মেয়েটি খুব ভালো ছিলো কিন্তু হঠাৎ একদিন কোথায় চলে গেলো আমি নিজেই বুঝতে পারছিনা। মাথার চুল কাটা বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি জানান মেয়েটি নিজেই নিজের চুল কেটে টাক হয়েছিলো। চিন্তার বড়ো বোন ববিতার দাবি,রাজা মেম্বর তার বোনের মাথার চুল কেটে বাড়ি থেকে বেড় করে দেয়।তার পর থেকে তার বোন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এবং বাড়ি থেকে ঐ যে গেলো আযো ফিরে আসেনি।তবে তার বোন ববিতা অন্য তর্থ্য দিলো, তার খালা বাড়ির কিছু লোকজন চিন্তাকে ঢাকা নয়াপল্টন এলাকাতে ঈদের আগে ঘুরতে দেখেছে নাকি।তাই ঢাকাতে যারা আমাদের এলাকার মানুষসহ ঢাকাতে কর্মরত সাংবাদিকসহ সকল পেশার মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে। এখনো মেয়েকে পাবার আশায় পথে পথে ঘুরছেন চিন্তার মা।যদি কেউ তার মেয়ের সন্ধান দিতো তাহলে তার জন্যে নামাজ পড়ার পর দু’হাত তুলে আল্লাহ্র নিকট দোয়া করতেন।অপরদিকে চিন্তার মা সেলিনা উরফে উড়োনি চলতি বছরের ২৪ জুন কোটচাঁদপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করে যার জিডি নং-৯১২।


সেই দেড় বছর পর গত ১৫/৬/২০২০ তারিখে আমি সোস্যাল মিডিয়াতে একটা ভিডিও দেখতে পাই এবং সেখানে আমি কমেন্ট জানাই যে মেয়েটাকে আমি চিনি এবং যেখানে আমি নাম ও ঠিকানা জানাই পরে ঘাটাইল মিডিয়ার ডেস্ক রিপোর্টার মোঃ আশিক আমার নাম্বার চাইলে, আমি নাম্বার দিই এবং কথা হয়। তারপর আমি সেখানে সেই পাগলি মেয়ে মানে চিন্তা কে দেখে তার পরিবারে কাছে জানালে তার পরিবার আসস্ত করেন,এটাই তাদের হারিয়ে যাওয়া মেয়ে। বতমানে সে এখন টাঈাইল ঘাঁটাইল উপজেলাই সংগ্রামপুর গ্রামে আছে।সেখানে সে একটি পুএ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এক ধাএির বাড়িতে আশ্রয় আছে,এবং ওখান কার ইউএনও তাকে নগদ অর্থ খাবার ও কিছু পোশাক প্রদান করেন।এবং আরো জানা গেছে সেখানকার এলাকাবাসি ও চেয়ারম্যান ও তাকে সাহায্যে এগিয়ে এসেছে।ধন্যবাদ ইউএনও কে চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক সহ এলাকাবাসি কে।এবং পাগলি এলাকার চেয়ারম্যান এর সাথে কথা হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি পাগলির পরিবারে কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।।।।

দোয়া করি পাগলি যেন তার পরিবারের কাছে ফেরত যেতে পারে।

শোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




Developed By Justin Shirajul Islam
Design & Developed BY Mgic TV