1. ashikghatail18@gmail.com : ghatailmedia :
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

চাকরি বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ছুটছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ # কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ভীড় অব্যাহত

ঘাটাইল মিডিয়া ডেস্ক
  • বাংলাদেশ সময় শনিবার, ৯ মে, ২০২০
  • ১৫২ বার ভিউ করা হয়েছে

ওয়াহিদ মুরাদ,শিবচরঃ

চাকরি হারানোর ভয়ে দক্ষিণাঞ্চলে মানুষ করোনা ঝুঁঁকির মধ্যেই রাজধানী ঢাকা ও এর আশেপাশের শহরে ছুটছেন। আজ শনিবারও কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ অব্যাহত ছিল। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একদিকে যেমন ঢাকায় যাচ্ছে, অন্যদিকে ঢাকা থেকে ফিরে আসছে। ফিরতে শুরু করেছে শ্রমজীবি পরিবারের অপর সদস্যরা। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় বাড়তি চাপ বেড়েছে ফেরিতে। ফেরিগুলো যানবাহন পারাপারের পাশাপাশি যাত্রী পারাপারে হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে ঘাটের মানুষের যাতায়াত দেখলে মনে হয় না যে, করোনা ভাইরাসের কারণে মানুষের চলাচলে আছে কোন বাধা নিষেধ। সামাজিক কিংবা শারীরিক দুরত্ব মানা হচ্ছে না কোনো ক্ষেত্রেই। ঘাট এলাকার যাত্রীরা জানান, চাকরি বাঁচাতেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যেতে হচ্ছে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া বন্ধে সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকেই ঘাট দিয়ে মানুষ যেমনি যাচ্ছে তেমনি বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে আসছে। সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলেও গত ২৬ এপ্রিল থেকে আজও ঢাকামুখো যাত্রীদের চাপ অব্যাহত রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া ঘাটে। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে শুরু হয়েছে পারাপারের প্রতিযোগিতা। সকাল থেকে রাজধানী মুখী যাত্রীদের ভীড়ে যেন করোনা উৎসবে পরিণত হয় কাঠালবাড়ি ঘাটে। দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার সতর্ক থাকলেও পদ্মা নদীর কাঠালবাড়ি -শিমুলিয়া নৌরুটে যেন পারাপারে প্রতিযোগিতায় নেমেছে হাজার হাজার মানুষ।
শনিবার (০৯ মে) সকাল থেকে সরেজমিনে কাঠালবাড়ি ঘাটে দেখা যায়, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও ফেরীযোগে পাড়ি দিচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।

বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ি ঘাট সুত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই ৯/১০ টি ফেরীতে যানবাহন পার করা হচ্ছে। বিভিন্ন জেলা থেকে বিকল্প ভাবে ঘাটে এসে ফেরীতে করে পদ্মা পার হচ্ছে তারা। তবে যাত্রীদের সাথে প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরী সেবাদানকারী যানবাহন ও পার করা হচ্ছে।

বরিশাল থেকে আসা যাত্রী সোহেল আহমেদ জানান, করোনার মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বরিশাল থেকে ভেঙ্গে ভেঙ্গে ঘাট পর্যন্ত এসেছি। এখানে আসতে মোটরসাইকেল, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনে ১৩শত টাকা খরচ হয়েছে। তবু ঢাকা যেতে হবে চাকরি বাঁচাতে।

গোপালগঞ্জ থেকে আসা এক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, পারিবারিক প্রয়োজনে দুই দিনের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলাম। কাল রোববার থেকে আবার অফিস। তাই নিজের মোটর সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছি। কিন্তু ফেরিতে যেভাবে যাত্রী বোঝাই করা হচ্ছে, এখানে সামাজিক দুরত্বের কোনো বালাই নেই।

বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ি ঘাটের সহকারি ব্যবস্থাপক সামসুল আরেফিন বলেন, সকাল থেকেই রাজধানীমূখী যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। আজ ৭ টি ফেরী দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পার করানো হচ্ছে। ১৭ টি ফেরীর মধ্য ৩ টি রোরো,৩ টি ডাম্ব,৩ টি কে ধরন ও ১ টি মধ্যম ফেরীর মাধ্যমে যাত্রী ও যানবাহন পার করানো হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Ghatailmedia
Develper By Justin Shirajul